জরায়ু ক্যান্সারের কারণ ও লক্ষণ ২০২২
আমাদের শরীরে ক্যান্সার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তার মধ্যে জরায়ু মুখের ক্যানসার একটি। বেশিরভাগ নারীরা এই ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হয়। জরায়ু লজ্জাস্থান বলেই অনেক নারী এই যন্ত্রণার নিরবে সয়ে যায়। ফলে এক সময় যার ফলাফল হয় মৃত্যুতে তাই জরায়ুর মুখে ক্যান্সার সম্পর্কে জানাও অন্তত জরুরী আমাদের।জরায়ু মুখের কোষ থেকেই জয়ায়ুর মুখের ক্যান্সার শুরু হয়। স্কোয়ামাস সেল থেকেই জরায়ু মুখের বেশি হয়ে থাকে। এই কোষ হচ্ছে জরায়ুর নিচে সংযুক্ত অংশ এবং যোনির উপরের অংশ।
বিশ্বে নারীদের সকল ক্যান্সারের মধ্যে এটি ২য় স্থান অধিকারি এবং ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর স্থান এটি ৫ম তম। বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী এই জরায়ু ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অথচ একটু সচেতনতা এটি প্রতিরোধ করতে সক্ষম। এখন জেনে নেই সেই সম্পর্কে কিছু তথ্য :
জরায়ু মুখের ক্যান্সার হওয়ার কারণঃ অল্প বয়সে বিয়ে করা,অল্প বয়সে বাচ্চা নেওয়া কোন ব্যক্তির পূর্বের স্ত্রীর এই রোহ হয়ে থাকলে,তার সাথে যৌন মিলন করা, একাধিক ব্যক্তির সাথে যৌন মিলন করা, ঘন ঘন বা অধিক বাচ্চা নেওয়া, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল ব্যবহার করা, ইনফেকশন, এইচ. আই. ভি., হিউম্যান পেপিলমা, ক্লামাইডিয়া ভাইরাসে ইনফেকশন। এই কারণগুলো একজন নারীর শরীরে ক্যান্সার দানা বাঁধায় সহায়ক ।
সঠিকভাবে এই বিষয়গুলো এড়িয়ে গেলে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক কমে যাবে। জরায়ু মুখের ক্যান্সার হওয়ার লক্ষণ সমূহঃ শুরুর দিকে এর কোনো লক্ষণ সাধারণত থাকেনা। এই রোগের উলেখযোগ্য লক্ষনগুলো হচ্ছে যোনিপথে রক্তপাত, সহবাসের সময় রক্তপাত বা কোন কিছুর স্পর্শ রক্তপাত, যোনিপথে দুর্গন্ধযুক্ত নিঃরসন, ওজন কমে যাওয়া, ক্ষুধা মন্দা, শরীর অবসন্ন লাগা, Coughing and coughing up blood আসা, ডায়রিয়া , bathroom সাথে রক্ত আসা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করা, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, রক্তশূন্যতা ভোগা, পিঠে ব্যথা, তলপেটে ব্যথা, পায়ে ব্যথা ও পা ফুলে যাওয়া।
জরায়ু মুখে ক্যান্সার হলে চিকিৎসাঃ স্টেজ এর উপর ভিত্তি করে একেক স্টেজে একেক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সার্জারি, রেডিও এবং কোমোথেরাপি এই তিন ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়। সাধারণ কিছু চিকিৎসা মূল চিকিৎসার পাশা-পাশি দেওয়া হয়। লক্ষণ এর উপর নির্ভর করে ব্যথানাশক, এন্টিবায়োটিক, ব্লাড ট্রান্স ফিউসন ইত্যাদির ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
Excilent