চট্টগ্রামের জয়: অভিষেক ম্যাচেই মৃত্যুঞ্জয়ের হ্যাটট্রিক
তখনও বিপদ কাটেনি যখন এনামুল হক বিজয়কে যখন আউট করলেন। বিজয়ের ৪৭ বলে ৭৮ রান ও এর আগে কলিন ইনগ্রামের ফিফটির মতোনরান সিলেট সানরাইজার্সের মিডল অর্ডার এক দারুন এমন একটি মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছিলো যেখানে প্রয়োজন ছিল ১৬ বলে ৩৯ রান চট্টগ্রামের দেওয়া ২০৩ রানের টার্গেট লক্ষে জেতার আশা ছিলো।
কিন্তু পরের দুই বলেই সেই আশার মধ্যে পানি ঢেলে দিলেন মৃত্যুঞ্জয়, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জয় ও প্রায় নিশ্চিত করে দিলেন। পরের দুই বলে মোসাদ্দেক সৈকত ও রবি বোপারা আউট করে বিপিএলের অভিষেকেই তুলে নিলেন হ্যাটট্রিক! এক ওভারেই ধ্বংস হয়ে গেলো সিলেটের মিডল অর্ডার। এরপরের জয়ের কাজটা চট্রগ্রামের জন্য কোন কঠিন ছিলোনা মোটেই।
মৃত্যুঞ্জয়ের এই দুর্দান্ত বোলিং করাই ম্যাচ ঘুরিয়ে চট্টগ্রাম স্পেলে ভর করেই হাই স্কোরিং ম্যাচে সিলেটকে ১৬ রানে হারিয়েছে। উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে!
মৃত্যুঞ্জয় অবশ্য মার খেয়েছিলেন ঐ ওভারের আগে। মার খেয়েছিলো চট্টগ্রামের সব বোলারই। কলিন ইনগ্রাম ও এনামুল হক বিজয়ের ব্যাট তরবারি সাগরিকার পাটা উইকেটে হয়ে উঠেছিলো। লেন্ডল সিমন্সের ৯ রানে আউটের পর দুজনে গড়েন ১১২ রানের জুটি! ৩৭ বলে ২ ছক্কায় ও ৫ চারে ফিফটি করে হন ইনগ্রাম আউট হন মেহেদী মিরাজের বলে । মৃত্যুঞ্জয়ের বলে আউট হওয়ার আগে এনামুল হক বিজয় খেলেন ৭৮ রানের ইনিংস!
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে উইল জ্যাকসের ফিফটি ও বেনি হাওয়েল, আফিফ হোসেন মেহেদী মিরাজদের ঝড়ো অবদানে ভর করে ২০২ রানের বড় সংগ্রহ করায় চট্টগ্রাম। এই বিপিএলে এবারই প্রথম ২০০ পেরোল কোন দল।