খুলনা টাইগার্সের নিজেদের রোলটা জানেন তো দেশি ক্রিকেটাররা ?
ঢাকায় দুই ম্যাচে একটা জয় পেয়েছিল খুলনা। পয়েন্ট টেবিল এর মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে চট্টগ্রামে গেছিল মুশফিকুর রহিমের দল। চট্টগ্রামে অবশ্য ভাগ্যের চাকা খুব বেশি ঘুরেনি খুলনা টাইগার্সের। বন্দরনগরীতে প্রথম ম্যাচে জেতার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ফরচুন বরিশালে কাছে হারতে হয়েছে খুলনাকে। সাকিবের দল খুলনাকে হারিয়েছে ১৭ রানে
খুলনা-বরিশাল ম্যাচ শেষে পয়েন্ট টেবিলে খুব বড় কোন রদবদল হয়নি। ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলের তিন থেকে চারে নেমে গেছে খুলনা। তবে এই তথ্যের চেয়েও খুলনা টিম ম্যানেজমেন্ট আরও বেশ দুশ্চিন্তায় খেলতে ওদের দলের কম্বিনেশন এবং ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স।
চার ম্যাচের খুলনায় খেলেছে মোট ১৬ জন ক্রিকেটার। চার ম্যাচের খুলনার চেয়ে বেশি ১৭ ক্রিকেট খেলেছে শুধু ফরচুন বরিশাল। টুর্নামেন্টের এখনো পর্যন্ত একই একাদশ নিয়ে পরপর দুইটা ম্যাচ খেলেনি খুলনা দল। এর সবই প্রমাণ দিচ্ছে লীগ পর্বে নিজেদের এক-তৃতীয়াংশ ম্যাচ খেলেও এখনে দলের কম্বিনেশন ঠিক করতে পারেনি টাইগার ম্যানেজমেন্ট।
খুলনা টিম কম্বিনেশন সাজাতে দিচ্ছে না মূলত দেশের ক্রিকেটারদের অনিয়মিত ফর্ম। টুর্নামেন্টের সেরা পাঁচে নাই কোন টাইগার্স ব্যাটার। দেশিদের মধ্যে দলের সর্বোচ্চ রান করেছেন মুশফিকুর রহিম আর তারপরই আছেন রনি তালুকদার। তবে রণির করা ৯৯ রানে কাছে আছে শুভংকরের ফাঁকি এক ম্যাচে ৬১ রান করা রণি আগের ৩ ম্যাচে করেছেন ৪০ এর কম রান।
মূলত মুশফিক বাদে দলের অন্য ব্যাটারা নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করতে পারছেন না। আন্দ্রে ফ্লেচার এর সাথে ওপেনিং করতেন নামা ২ সরকার আর তামিম মিলে ৪ ইনিংসে করেছেন মোট ১২ রান। ইয়াসির আলী রাব্বি নিজের জায়গায় খুব ভাল করছেন সেটা বলা যাবে না। চার ম্যাচের ৭৬ রান করলেও দল এবং পরিস্থিতির চাওয়া মিটিয়ে স্ট্রাইক উন্নত করতে পারেনি এই ব্যাটার।
ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংও খুলনার লোকাল রিক্রুটার নিজেদের কাজটা করতে পারছেন না। চার ম্যাচে ৮ উইকেট নিলেও কামরুল ইসলাম রাব্বি বিপিএলে রান দিয়েছেন উদার হাতে। এই পেশার ইকোনমি রেট ১০ এর নিচে নামতে পারেননি। প্রথম চার ম্যাচের দ্বিতীয় দেশেতে তারপর আমরাও একই দোষে দোষী চার ম্যাচে ওভারপ্রতি প্রায় 9 রান করেছেন
hn