ভালোবাসার গল্প: তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য
কেউ তোমার প্রতি ভীষণ রকম দুর্বল। তাই বলে এই না সে মানুষটা সবার কাছে দুর্বল। কোন একজন তোমাকে ভীষণ ভাবে রকম সম্মান করে। তার মানে এই না তুমি নিজেকে অহংকারী মনে করবে। দেখো একটা মানুষ তখনই তোমার প্রতি তাঁর উইকনেস টা সু করবে যখন সে মানুষটা তোমাকে পছন্দ করবে।
তোমার চলাফেরা তোমার কথাবার্তা, তোমার পার্সোনালিটির উপর তার একটা মুগ্ধতা থাকবে কিন্তু কখনো তার এই উইক পয়েন্ট টাকে পুঁজি করে তার সুযোগ নিতে পারো না। তুমি তাকে এভয়েড করতে পারো না, তার সাথে অহংকার দেখিয়ে কথা বলতে পারেনা। তাকে তাচ্ছিল্য করতে পারো না তাকে ছোট মনে করতে পারো না। কেউ তোমাকে সবকিছুতে সম্মান করার চেষ্টা করে।
তোমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে চেষ্টা করে। তার মানে সেই মানুষটা তোমাকে রেখে দেওয়ার আপ্রান চেষ্টা করে। তার এই দূর্বলতার সুযোগ টা নিয়ে তুমি তাকে বারবার ঠকিয়ে যাচ্ছ, তুমি বারবার আঘাত করে যাচ্ছ, তুমি ব্যাপারটা অনৈতিক। আমরা সবচেয়ে বেশি ভুল কখন করি জানো, যখন একটা মানুষ আমাকে মূল্যায়ন করছে, আমার ছোটখাটো ভুলগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে আমাদেরকে রেখে দেওয়ার চেষ্টা করছে, তখন সেই ব্যক্তিটা কে আমরা সস্তা মনে করি।
মানুষ তাঁকে বা।সেইজন তাকে আমরা চিনতে পারিনা। এটা আমাদের অ যোগ্যতার সর্বোচ্চ একটা শেখর। যেখানে গিয়ে আমরা সবচাইতে বড় ভুলটা করি। একটা মানুষ আমাকে মূল্যায়ন করছে। একটা মানুষ আমার সব বিষয়ে টেক কেয়ার করার চেষ্টা করছে। আমার সব বিষয়ে ইন্টারফেয়ার করার ট্রাই করে। তার মানে সেই মানুষটার কাছে আমি একটু মূল্যবান।
তার অনেকগুলো সম্পর্ক থাকা সত্বেও সে আমাকে একা করেই কেন প্রাইরেটি দিবে। আমার সব কিছুতেই কেন সে ইন্টারফেয়ার করবে। ওই ব্যাপারটা কে আমরা না বুঝে উল্টা এইটা বুঝার ট্রাই করি মানুষটার হয়তোবা কোন কাজ নাই আমার পিছনে সারাদিন পড়ে থাকে। আমার সব ব্যাপারে নাক গলানোর চেষ্টা করে।
পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষই কোন না কোন কাজে সম্পৃক্ত। এই ব্যাপারটা তোমাকে প্রথম মাথায় রাখতে হবে। দেখো একটা ছেলের বয়স কত পর্যন্ত বেকার থাকতে পারে ২০/২২ বছর। আরেকটা সম্পর্কে একটা ছেলে তখনই একেবারে সিরিয়াস হয় ম্যাচুয়েট হয় যখন ছেলেটার বয়স ২০/২২ থাকে। একটা মেয়ে ১৮/২০ এর মধ্যেই সিরিয়াস হয়। মেয়েটা তোমাকে প্রার্থী দিচ্ছে, সবকিছুতে তোমাকে কেয়ার করার চেষ্টা করছে। আর তুমি এই মেয়েটাকে সস্তা বানিয়ে দিচ্ছ ছেলেটা তোমার পিছনে ব্যায় দিয়ে যাচ্ছে আর তুমি ছেলেটাকে ইগনোর করে যাচ্ছ ব্যাপারটা রং।